কুরআন পাঠ আন্দোলন বাংলাদেশে গণমাধ্যম সংস্কারের জন্য একটি সম্পূর্ণ প্রস্তাবনা দিয়েছে, যাতে সাংবাদিক ইউনিয়নকে শক্তিশালী করা, সাংবাদিকদের যোগ্যতা নিশ্চিত করা, মিথ্যা তথ্য প্রচারে কঠোর শাস্তি এবং গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি প্রেস কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে।
Read More
কুরআন পাঠ আন্দোলন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে একটি নতুন সংবিধান প্রণয়নের প্রস্তাব করেছে। তারা বর্তমান সংবিধানের জটিলতা, পরস্পরবিরোধী নীতিমালা এবং মৌলিক অধিকারের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেছেন। প্রস্তাবিত সংবিধানে কুরআন পাঠ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য হলো ন্যায়বিচার, ধর্মীয় স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা এবং জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা। তারা রাষ্ট্রধর্মের ধারণা বাদ দেওয়া, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বৃদ্ধি, এবং সাংবিধানিক মৌলিক কাঠামো সংশোধনের অযোগ্য না করার মতো বিষয়গুলোর উপর জোর দিয়েছেন, যার মাধ্যমে একটি আধুনিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব হবে।
Read More
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে কুরআন পাঠ আন্দোলন একটি সংক্ষিপ্ত প্রস্তাবনা পেশ করেছে যাতে স্বাধীন বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসনের সংস্কার, শিক্ষায় ১০% বাজেট বরাদ্দ, প্রয়াত নেতাদের ইতিহাস গবেষণার উপর ছেড়ে দেওয়া, দুই মেয়াদের সীমাবদ্ধতা, লুটপাট করা অর্থ ফিরিয়ে আনা, ধর্মীয় সহিষ্ণুতা নিশ্চিত করা, ধর্মগ্রন্থের মাতৃভাষায় পাঠ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য দুই বছরের সামরিক প্রশিক্ষণ সহ নয়টি মৌলিক প্রস্তাবনা উপস্থাপিত হয়েছে, যা ন্যায়বিচার, সমানতা ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতার উপর ভিত্তি করে গঠিত।
Read More