Зачем мы стремимся к внутреннему гармонии
Зачем мы стремимся к внутреннему гармонии Людская натура создана таким образом, что мы непрерывно жаждем состояние глубинной гармонии и душевного
কুরআন পাঠ আন্দোলন কী?
“কুরআন পাঠ আন্দোলন” একটি অরাজনৈতিক ও শিক্ষামূলক সামাজিক সংগঠন। এর লক্ষ্য–উদ্দেশ্য সীমিত ও সুনির্দিষ্ট – মাতৃভাষায় কুরআনের অনুবাদ পাঠ উদ্বুদ্ধকরণ ও বিস্তৃতকরণ, কুরআন শিক্ষার সামাজিকীকরণ এবং কুরআনের অনিন্দ্য সুন্দর দর্শনের উপর দাঁড়িয়ে সমাজে সর্বজনীন শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ সৃষ্টি করা।
কুরআন পাঠ আন্দোলন কী নয়?
কুরআন পাঠ আন্দোলন সর্বস্তরে মাতৃভাষায় কুরআন পাঠে উদ্বুদ্ধ করে মাত্র, কারো উপর ধর্ম পালনের কোনোরূপ বাধ্যবাধকতা আরোপ করে না। এখান থেকে কারো উপর কোনো ধর্মীয় ব্যবস্থাপত্র, ফতওয়া জারি করা বা চাপিয়ে দেয়া হয় না। মাতৃভাষায় কুরআন পাঠের মাধ্যমে লব্ধ অনুধাবন শেয়ার করা হয় মাত্র। আমরা মনে করি যে, মাতৃভাষায় আদ্যোপান্ত কুরআন অধ্যয়নের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি নিজেই তার প্রতি তার প্রভুর বার্তা সম্পর্কে জানা ও বুঝার সক্ষমতা লাভ করতে পারে, এবং সেই সাথে ধর্মের নামে অপব্যাখ্যার মাধ্যমে সমাজে যে বিভ্রান্তি ও অরাজকতা ছড়িয়ে পড়ে তা থেকেও সচেতনভাবে আত্মরক্ষার পথ প্রশস্ত ও অবারিত করতে পারে।
কুরআন পাঠ আন্দোলন কেন?
কুরআন দীর্ঘ দেড় হাজার বছর ধরে অবিকৃতভাবে বিদ্যমান একমাত্র গ্রন্থ হওয়া সত্ত্বেও সমাজে এর বার্তা সম্পর্কে সঠিক অনুধাবনের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। এর কারণ হলো, আমরা এর যোগ্য উত্তরাধিকারিত্ব ধারণ করতে পারি নি। যে কারণে কুরআনের পাঠ বলতে না বুঝে ও সুর করে পাঠ করা ও মুখস্থ করার রেওয়াজ থাকলেও মাতৃভাষায় এর বার্তা অনুধাবনের প্রয়াস নিতান্তই সীমিত। অধিকাংশ মানুষ ইসলামের নামে প্রচলিত বিভ্রান্তির ঘূর্ণাবর্তে থাকার এবং সমাজে ধর্মের নামে বাড়াবাড়ি ও হানাহানির এটাই প্রধান কারণ। এমতাবস্থায়, মাতৃভাষায় কুরআন পাঠের চর্চার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করতে কুরআন পাঠ আন্দোলন-এর আত্মপ্রকাশ। কুরআন পাঠ আন্দোলন মাতৃভাষায় কুরআন পাঠকে জনপ্রিয় করার মাধ্যমে সমাজের সর্বস্তরে কুরআনের সুমহান বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে তাদেরকে কুরআন সম্পৃক্ত করতে চায়। এই সম্পৃক্ততার পথ ধরে পর্যায়ক্রমে মানুষে-মানুষে একটি সমৃদ্ধ কুরআন সংযোগ (Quran connectivity within the community) রচনা করতে চায়। এবং এর মাধ্যমে একটি শান্তিপ্রিয়, নৈতিকতাসমৃদ্ধ, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিপূর্ণ এবং কল্যাণমুখী সমাজ বিনির্মাণ করতে চায়।
সাধারণ মানুষের মধ্যে কুরআনের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং কুরআন অধ্যয়নকে সহজ ও আকর্ষণীয় করে তোলা।
সাধারণ মানুষের মধ্যে কুরআনের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং কুরআন অধ্যয়নকে সহজ ও আকর্ষণীয় করে তোলা।
সাধারণ মানুষের মধ্যে কুরআনের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং কুরআন অধ্যয়নকে সহজ ও আকর্ষণীয় করে তোলা।
‘কুরআন পাঠ আন্দোলন’ কোনো নির্দিষ্ট দল, গোষ্ঠী বা মতাদর্শের প্রতিনিধিত্ব করে না। এটি একটি সামাজিক ও মানবিক আন্দোলন, যা সকল ধর্ম, মত-পথ, বিশ্বাস এবং শ্রেণির মানুষকে একত্রিত করার মাধ্যমে কুরআনের প্রকৃত বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের পাঠকে মানুষের জীবনে সহজ, বোধগম্য এবং প্রাসঙ্গিক করে তোলা।
আমরা মনে করি, কুরআন মানবতার সার্বজনীন গাইডলাইন, যা বিভাজন নয়, বরং ঐক্যের ভিত্তি তৈরি করে। তাই এই আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা মানুষকে কুরআনের প্রতি আকৃষ্ট করতে চাই—বুঝে পড়ার মাধ্যমে কুরআনের মর্ম উপলব্ধি করা, জীবনে তা প্রয়োগ করা এবং আল্লাহর বাণীকে শান্তি ও কল্যাণের বার্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
আমাদের কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রভাব নেই। বরং এটি একটি নিরপেক্ষ, উদার ও সর্বজনীন প্রচেষ্টা। কুরআন পাঠ আন্দোলন ব্যক্তিগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক ও বৈশ্বিক পরিসরে কুরআনের আলোকবর্তিকা ছড়িয়ে দিতে চায়। এটি কেবল একটি আন্দোলন নয়, বরং কুরআনকে কেন্দ্র করে মানবতার প্রতি দায়িত্ব পালনের একটি সামগ্রিক উদ্যোগ।
আমরা বিশ্বাস করি, কুরআন বুঝে পড়া ও তা চর্চা করা শুধুমাত্র একজন মুসলিমের দায়িত্ব নয়, বরং এটি প্রতিটি মানুষের জন্য একটি মূল্যবান সম্পদ। আমাদের লক্ষ্য কুরআনকে সকলের কাছে এমনভাবে উপস্থাপন করা, যাতে তা মানবজাতির জন্য একটি শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রার দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে।
কুরআন ভিত্তিক একটি মুখপত্র হিসেবে আজ ‘কুরআন কথন’-এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হল, মহান রব্বুল আলামিনের অশেষ শুকরিয়া-আলহামদুলিল্লাহ। ঠিক এ জাতীয় একটি প্রকাশনার আকাঙ্ক্ষা আমার বহু বছরের। ২০০৩ সালে এমনই ইচ্ছা থেকে নিজ উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় পরীক্ষামূলক একটি ক্ষুদ্র সংখ্যা বের করেছিলাম, নাম ছিল ‘সমর্পণ’। বস্তুত ‘কুরআন কথন’ এত বছর বাদে সমর্পণ-এর পরিণত কলেবর।
আল-কুরআন নিয়ে আগ্রহী মানুষের কথার শেষ নেই, হাজার বছর ধরে কথা আর যুক্তি-তর্কের সেই স্রোত অবিরাম ছুটে চলেছে। পুরো পৃথিবী জুড়ে ‘খলিফা’র আদর্শ বিরোধী যাবতীয় কর্মকাণ্ড দ্বারা আমরা কিয়ামতকে অধিকতর কাছে টেনে নিয়ে এসেছি। অন্যদিকে ‘তথ্য-প্রযুক্তি’ নামক এক সর্বপ্লাবী কৃত্রিম সত্তা পুরো বিশ্বকে কার্যকরভাবে এখন আমাদের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে। ঠিক তখন, বেলাশেষের ঠিক সেই আগমুহূর্তে বাংলা ভাষায় আমরা কিছু সুচিন্তিত কথা ‘কুরআন কথন’-এর মাধ্যমে বাংলাভাষী জনগোষ্ঠীর মাঝে বিনিময় করতে ইচ্ছুক।
প্রিয় বিশ্বাসী ভাই/বোন,
আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। মহান আল্লাহ এই পৃথিবীতে মানুষ প্রেরণ করেছেন তার প্রতিনিধি হিসেবে এবং সেই সাথে প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষমতা হিসেবে দিয়েছেন জ্ঞান অর্জনের ক্ষমতা, মেধা শক্তি, বিবেক বুদ্ধি, উদ্ভাবনী ক্ষমতা, কর্মদক্ষতা অর্জনের প্রবণতা, ইচ্ছা শক্তি এবং সর্বোপরি এই ক্ষমতা গুলো প্রকাশ ও সমন্বয়ের ভাষা। এগুলো কেবল কিছু মৌলিক ক্ষমতা যা মানুষকে দেয়া হয়েছে প্রকৃতিগতভাবে। কিন্তু প্রতিনিধিত্ব করার জন্য এই ক্ষমতাগুলো যথেষ্ট নয়। বরং এই ক্ষমতা গুলো চর্চা ও সেসবের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমেই মানুষ আল্লাহর প্রতিনিধিত্ব অর্জন করতে পারে। আর তাই মহান আল্লাহ কালের আবহে তার মনোনীত বার্তাবাহকদের মাধ্যমে মানুষের নিকট উপস্থাপন করেছেন অসংখ্য নিদর্শন ও পথ-নির্দেশ যা মানুষকে ইহকাল ও পরকালীন মুক্তির পথ প্রদর্শন করে। আর সেই ঐশী বাণী যখন মনুষ্য ভাষায়, দুই মলাটের ভাজে স্থান করে নেয় তখন তা হয়ে ওঠে এক মহাগ্রন্থ। কালের পরিক্রমায় আমরা তেমনই একটি মহাগ্রন্থের ধারক হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছি, যার নাম আল কুরআন।
“পড়ো তোমার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন”। (৯৬/১) উক্ত আয়াতটি সেই মহাগ্রন্থ আল কুরআন থেকেই চয়ন করা হয়েছে যার মাধ্যমে মহান আল্লাহ সমগ্র মানবজাতিকে (২৫/১, ৩৪/২৮, ২১/১০৭, ৭/১৫৮) তার ঐশী গ্রন্থ আল-কুরআন পড়ার আদেশ প্রদান করেছেন। এর উদ্দেশ্য বর্ণনায় আল কুরআনের স্বচ্ছ ও নির্মল ভাষায় দয়াময় আল্লাহ্ বলেন, “যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চায় এই কিতাব (আল কুরআন) দ্বারা তিনি তাদেরকে শান্তি ও নিরাপত্তার পথ প্রদর্শন করেন, এবং তাদেরকে স্বীয় নির্দেশ দ্বারা অন্ধকার থেকে বের করে আলোর দিকে আনয়ন করেন এবং সুদৃঢ় পথে পরিচালনা করেন।” (৫/১৬)
আমাদের ব্লগগুলো কুরআনের গভীরতা এবং এর প্রকৃত বার্তা সম্পর্কে আপনাকে নতুন দৃষ্টিকোণ প্রদান করবে। এটি কেবল কুরআন পড়ার উপকারিতা নয়, বরং এর সত্যিকারের অর্থ ও তাৎপর্য উপলব্ধি করার প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বও তুলে ধরবে।
Зачем мы стремимся к внутреннему гармонии Людская натура создана таким образом, что мы непрерывно жаждем состояние глубинной гармонии и душевного
По какой причине человеку необходимо ощущать продвижение к цели Людская натура организована подобным способом, что мы подсознательно направляемся к развитию
Почему людям важно испытывать продвижение вперед Наша сущность устроена подобным способом, что мы инстинктивно направляемся к совершенствованию и прогрессу. Осознание
কুরআন পাঠ আন্দোলন একটি সামাজিক উদ্যোগ, যার উদ্দেশ্য হলো মানুষকে কুরআন বুঝে পড়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা এবং এটি সমাজের সর্বস্তরে জনপ্রিয় করে তোলা। আপনি বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকেই আমাদের সাথে এই আন্দোলনে শরীক হতে পারেন। আপনি চাইলে আমাদের সাথে সরাসরি কাজ করতে পারেন কিংবা আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে আমাদের কার্যক্রমকে আরো বেগবান করতে সাহায্য করতে পারেন।